April 8, 2026, 4:22 pm

সংবাদ শিরোনাম
নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল

ইতিহাস বিকৃতকারীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাস বিকৃতকারীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী

mostbet

ডিটেকটিভ নিউজ ডেস্ক

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় আশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধী ও ইতিহাস বিকৃতকারীরা যেন আর বাংলাদেশে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে না পারে।

একাত্তরের ৭ মার্চ যে উদ্যানে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, সেই ভাষণ ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ায় সেই জায়গাতেই সমাবেশে শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজাকার, আল-বদর, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, ইতিহাস বিকৃতকারীরা যেন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে।

৪৬ বছর আগে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতাকামী সাত কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম- এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। তার সেই ভাষণের ১৮ দিন পর পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি নিধনে নামলে বঙ্গবন্ধুর ডাকে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। নয় মাসের সেই সশস্ত্র সংগ্রামের পর আসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

জাতির পিতার ওই ঐতিহাসিক ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ায় সারা দেশে গতকাল শনিবার সরকারি উদ্যোগে উৎসব হচ্ছে। দুপুর ১২টায় ধানম-ি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে সরকারি উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এই উদযাপন শুরু হয়।

৩২ নম্বরে পুষ্পস্তবক অর্পণ পর্ব শেষ হওয়ার পর সেখান থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা নিয়ে সোহরাওয়ার্দীতে যান নেতানেত্রী ও সরকারি কর্মকর্তারা। তাদের হাতে থাকা ব্যানার-ফেস্টুনে ‘সাত কোটি মানুষকে দাবায় রাখতে পারবা না’; ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের বিভিন্ন অংশ লেখা ছিল।

সোহরাওয়ার্দীতে সভা শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই শাহবাগ মোড়, রমনা পার্ক, হাই কোর্ট মোড়, দোয়েল চত্বর, টিএসসি এলাকা জন¯্রােতে পরিণত হয়।

বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের শোভাযাত্রা শেষ হওয়ার পর বিকাল ৩টায় শুরু হয় সমাবেশ, যাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত হওয়ার জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে সমাবেশের কাজ শুরু হয়। সমাবেশে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের স্বাগত বক্তব্যের পর ৭ মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এরপর ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো হয়। পরে বেলা পৌনে ৪টার দিকে শুরু হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ। ২২ মিনিটের বক্তব্যের শুরুতেই ৭ মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি উপলক্ষে সরকারের উদ্যোগে পালিত এই দিনটিকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সেদিন এসেছিলাম, বক্তৃতা শুনেছিলাম, আন্দোলন তরঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল; তাও দেখেছিলাম।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে কারাবরণের কথা বলতে গিয়ে তার বড় মেয়ে বলেন, “পিতা হিসেবে কতটুকু পেয়েছি ? স্কুল থেকে জেল গেইটে দিয়ে দেখা করেছি। কলেজ থেকে জেল গেইটে গিয়ে দেখা করেছি। ইউনিভার্সিটি থেকেও জেল গেইটে গিয়ে দেখা করেছি।”

সাত মার্চের ভাষণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “এই ভাষণ একসময় বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ছিল। এই ভাষণ বাজাতে গিয়ে আমাদের অনেক নেতাকর্মীকে জীবন দিতে হয়েছে।”

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর